2026

muder on orient express

মার্ডার অন দ্য ওরিয়েন্ট এক্সপ্রেস – পর্ব-১৪

হাতে ধরা প্যাসেঞ্জার লিস্টের দিকে তাকিয়ে

এরকুল: এবার যে দেখছি রাজকুমারীর পালা।

বুঁঃ (এরকুলকে থামিয়ে) মনটা বড় খচখচ করছে। বোতামের ব্যাপারটা মিটিয়ে ফেললে হয় না। মিশেলকেই একবার ডাকা যাক। বোতাম দিয়েই মনে হচ্ছে বেচারি ফেঁসে গেল।

ডাক পেয়ে মিশেল এসে হাজির হল।

এরকুল: (মিসেস হার্বাডের জমা দেওয়া বোতামটি হাতে নিয়ে) এই বোতামটা সম্ভবত তোমার। ইউনিফর্ম পোশাক থেকে খুলে গেছে। মিসেস হার্বাডের কূপে থেকে পাওয়া গেছে।

মিশেল: (নিজের বুকে ইউনিফর্মের উপর হাত রেখে) কখনো না। আমার তো কোনো বোতাম হারায়নি।

বুঁ: অদ্ভুত ব্যাপার, তবে রেল কর্মচারীর ইউনিফর্মের বোতাম ওনার কূপেতে এলো কিভাবে?

মার্ডার অন দ্য ওরিয়েন্ট এক্সপ্রেস – পর্ব-১৪ Read Post »

অনুবাদ, ধারাবাহিক উপন্যাস
abstract1

তিনটি কবিতা – কমলিকা ভট্টাচার্য

তুমি বলো কষ্ট খুঁজে দেখতে, আমি দেখি।
কিন্তু আমার চোখের জলে দু’কলম লেখার বেশি কিছু হয় না।
ওদের পেটে ভাত জোটে না, যুদ্ধের আগুন নেভে না, রোগ শরীর ছেড়ে যায় না, মৃত্যু পথ ভোলে না কোনোদিন।

তিনটি কবিতা – কমলিকা ভট্টাচার্য Read Post »

Uncategorized, কবিতা, কাব্য
abstract2

ক্রসরোডে বাংলা: তত্ত্ব বনাম বাস্তবতা

১৯৪৭ সালের গোড়ার দিক। দেশভাগ তখন দরজায় কড়া নাড়ছে। ব্রিটিশরা বিদায় নেবে এটা নিশ্চিত। কিন্তু বাংলা কি অবিভক্ত থাকবে, নাকি টুকরো হবে? এই প্রশ্নে কলকাতার রাজনৈতিক অলিন্দ উত্তপ্ত।ঠিক এই সময়ে সামনে আসে একটি অভূতপূর্ব রাজনৈতিক সমীকরণ। মুসলিম লীগের হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী এবং কংগ্রেসের শরৎচন্দ্র বসু এপ্রিল-মে ১৯৪৭-এ হাত মেলান। তাঁরা চাইলেন ‘স্বাধীন অবিভক্ত বাংলা’ (United Independent Bengal)। অর্থাৎ বাংলা ভারতের সাথে যাবে না, পাকিস্তানের সাথেও যাবে না — সে হবে এক সার্বভৌম রাষ্ট্র।

ক্রসরোডে বাংলা: তত্ত্ব বনাম বাস্তবতা Read Post »

প্রবন্ধ, প্রবন্ধ/আলোচনা
murder on the orient express

মার্ডার অন দ্য ওরিয়েন্ট এক্সপ্রেস, পর্ব-১৩

আমি তো ব্যাপারস্যাপার কিছুই বুঝতে পারছি না। তাহলে কি মিশেল এই হত্যাকাণ্ডের সাথে…

পয়রো: দাঁড়ান দাঁড়ান। ওত তড়বড় করবেন না। আগে যাত্রীদের জবানবন্দিগুলো সব শেষ করি। হ্যাঁ, এরপর তাহলে ওই সুইডিশ মহিলাকে ডাকা যাক। ওনার পাসপোর্টটা…… (পাসপোর্টটা হাতে নিয়ে) নাম তো দেখছি আলে, গ্রেটা আঁলে। বয়স ৪৯।

ভদ্রমহিলাকে ডাকা হল। ভালো মানুষ চেহারার, ধীরস্থির নম্র। মাথার চুল চুড়ো করে বাঁধা, চোখে চশমা। ফরাসি বুঝতে পারেন, বলতেও পারেন। নাম, ঠিকানা, বয়স ইত্যাদি পাসপোর্টেই ছিল।

মসিয়ে র টুকটাক জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করলেন। জানা গেল, ভদ্রমহিলা অবিবাহিত, এবং একজন প্রশিক্ষিত নার্স, নার্সিং-এ গ্র্যাজুয়েট। বর্তমানে ইস্তাম্বুলে একটি মিশনারি স্কুলে মেট্রন হিসেবে কাজ করছেন। ছুটিতে দেশে ফিরছেন।

মার্ডার অন দ্য ওরিয়েন্ট এক্সপ্রেস, পর্ব-১৩ Read Post »

অনুবাদ, ধারাবাহিক উপন্যাস
fc5c229e 8198 4453 91ab 6bed19d53fce

পাপ – পর্ব ১৪

এবারে কার্তিক মাসের মাঝামাঝি দুর্গা পুজো পড়েছিল। তারপর কালী পুজো পার হয়ে প্রায় অগ্রহায়ণ মাস পড় গেল। বাতাসে ভালো রকম শীতের শিরশিরানি, সন্ধের পরে হিম পরে। গায়ে তুষের চাদর জড়াতে হয়। মেঝেতে পা ফেলতে গেলে বেশ ঠান্ডা লাগে। এদিকে রোগীর অবস্থা ক্রমেই খারাপের দিকে যাচ্ছে। এত যত্ন করা সত্বেও শরীরের নানা জায়গায় ঘা হয়ে রস গড়াচ্ছে। পচা গন্ধে ও ঘরে টেঁকা দায়। দরজা খুললেই বিকট দুর্গন্ধ ঝাঁপিয়ে পড়ে। মানদা পর্যন্ত ঝাঁট দিতে বা মুছতে ও ঘরে ঢুকতে চায় না। বাধ্য হয়ে কঙ্কাকেই সে কাজ গুলো করতে হয়। খুব জোরে ডাকাডাকি করলে রোগী চোখ কখনো কখনো খুলছে বটে কিন্তু সে ঘোলাটে চোখের কোন দৃষ্টি নেই, ভাষা নেই। তাঁর চেতনা কোন অতলে তলিয়ে গেছে কে জানে। কানের কাছে জোরে শব্দ হলে হয়ত অভ্যেস বসত চোখ খুলে যায়। কঙ্কা আর আমি প্রাণপনে শাশুড়ির বিছানা পরিষ্কার করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।

পাপ – পর্ব ১৪ Read Post »

ধারাবাহিক উপন্যাস
Scroll to Top