বর্ষার মেয়ে বৃষ্টি
স্কুলে যাওয়ার আগে বেঁটেখাটো শ্যামলা মেয়েটা যখন এক দৃষ্টিতে উনোনে চড়ানো ভাতের হাঁড়িটার দিকে চেয়ে থাকত, তখন গীতার খুব কষ্ট হত। চেষ্টা করত তিন মেয়েকে সকালের খাবারটা অন্তত পেটপুরে দিতে। বর্ষা সবার বড়, তাই ক্ষিদেও বেশি, গোগ্রাসে গিলত। গীতার ভাগ্যের দোষ, রতনটা কত কম বয়সে চলে গেল। গ্রামে বাস, জমিজায়গা নেই, রতন পুকুরে জাল দিয়ে তবু কিছু উপার্জন করত। নেশাভাঙ যে করত না তা নয়, তা বলে লোকটা খারাপ ছিল না। সে কথা বলতে গেলে বাগদীপাড়ায় কোন পুরুষমানুষটা নেশা করে না? আগে গীতা দু-ঘর বাবুবাড়িতে কাজ করত, এখন সংখ্যাটা বাড়াতে হয়েছে। খাটত প্রচুর, তাও অভাবের সংসার।
বর্ষার মেয়ে বৃষ্টি Read Post »
Uncategorized, কাহিনি, গল্প











