দূর ও দর্শন 

contemplative moment

অনুপমার এখন অখণ্ড অবসর। বয়স মোটে বাষট্টি। এতদিন অনেক কাজের মধ্যে নিজেকে ব্যস্ত রেখেছিলেন। তাই শরীরও বেশ ভালো। গতবছর, মেয়ে জামাই এর সাথে দেওঘর বেড়াতে গিয়ে তরতর করে তপোবন পাহাড়ে উঠেছেন, ত্রিকূট পাহাড়ে উঠেছেন। অন্যদের আগেই। চাকুরে মানুষ এই বয়সে এসে অবসরজীবন যাপন করে। সংসারী মহিলাদের সে অর্থে অবসর বলে কিছু নেই। কিন্তু মাস খানেক আগে কর্তা মারা যাওয়াতে হুট করে মনে হচ্ছে, অনুপমা বেকার হয়ে গেলেন। আগেও রান্নার লোক ঠিকে কাজের লোক ছিল। তবে জটিলেশ্বরের অনেক বায়নাক্কা ছিল। রোজ দু’এক পদ রাঁধতে হত অনুপমাকে। এরপর জটিলেশ্বরের জামাকাপড় কাচা, ইস্ত্রী করা। রাঁধুনি বা ধোপার কাজ পছন্দ ছিল না ওঁনার। তাছাড়া চশমা,গামছা, খবরের কাগজ, সিগারেটের প্যাকেট, মোবাইল ফোন কোনোকিছুই স্ত্রীর সাহায্য  ছাড়া খুঁজে পেতেন না তিনি।  এখন কোনো কাজ নেই অনুপমার। একদম বেকার বনে গেছে।            

অনুপমার মেয়ে মিলি একটি মেয়েকে রেখে গেছে এখানে। ইন্দিরা। ঘর গেরস্থালির টুকটাক ইন্দুই করে দেয়। জামাই ব্রতর মাকে দেখাশোনা করে ওর মা। মেয়েটা মাধ্যমিক দেবে। বাড়িতে পড়াশোনার অসুবিধা। কেউ দেখার নেই। এখানে এক গৃহশিক্ষক এসে পড়িয়ে যায় সকালে। সন্ধ্যেয় আর রাতে খানিকটা নিজে পড়ে। কখনো অনুপমার ফাইফরমাস খাটে, কখনো শুয়ে বসে থাকে। মাথাটা ভালো। তবে পড়াশুনার থেকে সাংসারিক কাজকর্মের ইচ্ছে বেশি।         

বেশ মেয়েটা। তবে ওঁনারা তো আর সমবয়সী নন। তাই গল্পগাছা খুব জমে না। ইন্দু ওর অবসর সময় বারান্দায় দাঁড়িয়ে শহর দ্যাখে। কোলকাতা শহরের রূপে মজে গেছে মেয়েটা। বেহালায় অশোকা সিনেমা হলের কাছে বাড়ি অনুপমার বাড়ি। তাই সারাক্ষণ লোক গিজগিজ করছে। 

সেই ইন্দুই একদিন বলল, মাসি একটু টিভি চালাও না। একদম না চালালে তোমার টিভিটা তো নষ্ট হয়ে যাবে। কথাটা শুনে অনুপমা একটু চমকে যায়। থমকে দাঁড়িয়ে কী যেন ভাবে! সত্যি তো টিভিটার কথা তো ভুলেই গিয়েছিলেন তিনি। টিভি। টেলিভিশন। দূরদর্শন। এই শব্দটার মধ্যে কী একটা জাদু আছে। মনে  আছে, বিয়ের আগে বাবা পাত্রের বাড়িঘর দেখে এসে সন্তুষ্ট হয়েছিলেন, আর কথায় কথায় বলেছিলেন ওঁদের বাড়িতে টিভি আছে। তখন আনন্দে নেচে উঠেছিল অনুপমার মন। নিজেদের বাড়িতে টিভি একটা স্টেটাস সিম্বল। তাছাড়া নিজের বাড়িতে টিভি মানে নিজের মুঠোয় নিজের আনন্দ।  

শোভাবাজারে শ্বশুরবাড়িতে এসে সেই আনন্দ দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। বাড়ির বউ বসে বসে টিভি দেখবে, এটা  শ্বশুরমশাইয়ের একদম পছন্দ ছিল না। সংসার না কী তাতে রসাতলে যাবে। রোববার বিকেলে বাংলা সিনেমা হত। সেটা শুধু দেখার পারমিশন ছিল। তাও আশেপাশের বাড়ি থেকে কয়েকজন মহিলা আসতেন। পাড়ায় তখন আর টিভি ছিল না। শাশুড়ি খাতির করে বসাতেন। বেশিরভাগই গিন্নিবান্নি মানুষ। অনুপমার বয়সী কেউ নয়। তাঁদের জন্য চা করো, পান সাজো, কার জলতেষ্টা পাচ্ছে তাঁকে জল দাও। কে বাথরুমে যাবেন, তাঁকে বাথরুমের আলো জ্বালিয়ে দিয়ে এস। এমন হরেক ঝঞ্ঝাট। সিনেমার ভালো জায়গাগুলো মিস হয়ে যেত। তাছাড়া রোম্যান্টিক দৃশ্য শাশুড়িদের সামনে বসে দেখতে বড্ড লজ্জা করত। হাল ছেড়ে দিয়েছিলেন তিনি। তারপর বেহালায় ফ্ল্যাট কেনা হল। ওর নিজের সংসার হল। নতুন বাড়িতে এসে অনুপমার একটাই দাবী ছিল, টিভি কিনতে হবে। সাদাকালো টেলেরামা এল। ভালো ভালো সিরিয়াল হত তখন তেরো পার্বন, সেই সময়। হিন্দিতে বুনিয়াদ, হামলোগ। তবে জটিলেশ্বর অধ্যাপক মানুষ। ছেলেমেয়ের পড়াশুনায় বিন্দুমাত্র শৈথিল্য পছন্দ করতেন না। মা টিভি দেখলে বাচ্চারা বয়ে যাবে। ওদের ছোটো থেকেই টিভির নেশা হবে। ব্যস সব বন্ধ। সে আমলে দুপুরবেলা তেমন প্রোগ্রাম কিছু হত না। সন্ধ্যেবেলা সত্যিই তো কত কাজ।  

এক রবিবার ছেলেমেয়ে গেছে ওদের পিসির বাড়ি। টিভিতে সন্ধ্যেয় ‘সপ্তপদী’ দিয়েছে। বেলাবেলি রান্নাবান্না সেরে গা ধুয়ে বসেছেন অনুপমা পরিপাটি। সিনেমা দেখবেন। জটিলেশ্বরের একজন সহকর্মী তাঁর স্ত্রীকে নিয়ে হাজির। ব্যস। হয়ে গেল সিনেমা দেখা। তখন চা করো, জলখাবার বানাও। আরেকবার তো ছেলেমেয়ের পরীক্ষা হয়ে গেছে, পড়ার চাপ কম। স্বামীকে আগে থেকে বলে রাজি করিয়ে রেখেছেন, টিভি দেখবেন বলে। ওমা, নির্দিষ্ট অনুষ্ঠানের সময় কী প্রবল ঝড়। অ্যান্টেনা লটকে পড়ল। ছাদে উঠে অ্যান্টেনা ঠিক করবে কে? জটিলেশ্বর তেমন মানুষই নন। ঝড় হচ্ছে তাই অনুপমাকেও উঠতে দেবেন না। ব্যস হয়ে গেল টিভি দেখা। সেকালে অ্যান্টেনা সত্যি এক আশ্চর্য বস্তু ছিল!

একবার বুবুনের এক বন্ধুর মা গর্ব করে বলেছিল, তার বাড়িতে কালার টিভি এসেছে। বাংলাদেশি বুস্টার আছে। বাংলাদেশের অনুষ্ঠান দেখতে পান তারা। শুনে একটা চোরা ঈর্ষা তিরতির করে উঠেছিল অনুপমার মনে। জটিলেশ্বরের তখন বক্তব্য ছিল কালার টিভি দেখলে ছেলেমেয়ের চোখ খারাপ হয়ে যাবে। তবে আরো কিছু বছর পর  কালার টিভিও হল। রিমোট দেওয়া। বুবুন বোধহয় ক্লাস নাইন। জটিলেশ্বর তখন নিজেই বলতেন  বোকাবাক্সের ভালো অনুষ্ঠান দেখার চেষ্টা করবে। তবে একদিন একটা কাণ্ড হল। জটিলেশ্বরের একটা সেমিনার ছিল। ফিরতে রাত হবে। ছেলেমেয়ে বায়না ধরেছিল সুপারহিট মুকাবলা দেখবে। অনুপমারও মন্দ লাগত না প্রোগ্রামটা। মেট্রো চ্যানেলে হত। ছেলেমেয়ে নিয়ে বসে দেখছেন। এমনসময় জটিলেশ্বর কীভাবে যেন তাড়াতাড়ি এসে হাজির। ওঁরা তিনজন এত মগ্ন, যে টেরই পায় নি। ধুন্ধুমার বেঁধে গিয়েছিল সেদিন। জটিলেশ্বর আফশোস করেছিলেন, তাঁর পরিবারে অপসংস্কৃতির হাওয়া বইছে। তার জন্য অনুপমা দায়ী।

 তারপর তো কেবল লাইন এসে গেল বাড়িতে। হরেক চ্যানেল। হরেক অনুষ্ঠান।  

তখন সারাদিনে কত কাজ। টিভি দেখার ফুরসৎ ছিল না। ছেলেমেয়েরা পড়াশুনায় মনোযোগী। তাই  অনুপমা ভাগ্যবতী। এটা আত্মীয়স্বজনরা সবসময় বলতেন। অনুপমাও বিশ্বাস করতেন। গর্বে বুক ভরে যেত। সত্যিই তো অনুপমার ছেলেমেয়েদের পড়তে বসতে বলতে হয়না। তবে অনুপমাও সমান তালে ওদের সাথে পরিশ্রম করে চলেন। তাদের বন্ধুদের বাড়ি থেকে নোটস এনে  জেরক্স করা। কলেজ স্ট্রিট চষে রেফারেন্স বই জোগাড় করা। খাতা পেন পেন্সিল গুছিয়ে রাখা। ফুরিয়ে গেলে আনতে ছোটা। ছেলেমেয়েরা পড়াশুনা করবে, এসব কাজে সময় নষ্ট করবে কেন? এসব কাজ তাই অনুপমার। তাছাড়া জটিলেশ্বরের নানা ফরমাশতো ছিলই। গুনী মানুষ। সংসারের একমাত্র রোজগেরে। তাঁকে তো তুষ্ট রাখতেই হবে।  

একদিন কী একটা ভালো সিনেমা দিয়েছে টিভিতে। কেমন যেন রোখ চেপে গিয়েছিল অনুপমার। উনি দেখবেনই। জটিলেশ্বর সেদিন ডিসকভারি চ্যানেলে ছেলেমেয়েদের ইনকা সভ্যতা দেখাচ্ছেন।

অনুপমা সাধারণত ঘ্যানঘ্যান করেন না। পণ্ডিত স্বামীকে সমঝে চলেন। কিন্তু সেদিন একটু অন্য অনুপমা হয়ে গিয়েছিলেন। হঠাৎ ঝাঁঝিয়ে উঠলেন জটিলেশ্বর। ছেলেমেয়ের সামনেই। ‘যাও যাও এখন বিরক্ত কোরো না’ থেকে শুরু করে ‘ সারাদিন টিভি টিভি করে মাথা খাচ্ছে’। বুবুন যেন মাকে অপদস্থ হতে দেখে নিজে থেকেই প্রশ্ন ছুঁড়ে দিল। ‘মা বলোতো, টেলিভিশন কে আবিষ্কার করেন?’ হতভম্ব অনুপমার সামনে হাত তুলে মিলি বলল, ‘আমি বলব বাবা? জন লোগি বেয়ার্ড।’ বুবুন কি আর কম যায়, সে বলল, ‘কতসাল বলতে পারবি? পারলি না তো? ১৯২৫। জানিস তো টেলিভিশন গবেষণায় ভ্লাদিয়ারিক জোরিস্কিনের নামও খুব মেমোরেবল। তিনি প্রথম আইকোনোস্কোপ টিউব আবিষ্কার করেন।’    

অনুপমার ছেলেমেয়েরা ক্যুইজে খুব ভালো। প্রায়ই ফার্স্ট প্রাইজ নিয়ে আসে। অনুপমার খুব গর্ব ছিল সেটা নিয়ে। বাংলাদেশি বুস্টারওয়ালা ভদ্রমহিলাকে সেকথা একবার শুনিয়েও দিয়েছিলেন খুব তৃপ্তি করে। কিন্তু সেদিন অনুপমা গর্ব অনুভব করছিলেন না। হতবাক হয়ে ছেলেমেয়ের মুখের দিকে তাকিয়ে ছিলেন। ওঁর সেদিন মনে হচ্ছিল, এরা কারা? এরা কি ভাষায় কি কথা বলছে, তিনি যেন বুঝতে পারছিলেন না। তিনি মা হয়েও যেন কয়েকশো যোজন দূরে এদের থেকে। নিজেকে খুব অপমানিত মনে হচ্ছিল। কিন্তু তার সত্যি কোনো কারণ ছিল কি না, আজও ভেবে বার করতে পারেন না অনুপমা। তবে তার পর থেকে আর কখনো নিজে থেকে টিভি দেখতে চাননি তিনি। তাতে অবশ্য কিছু এসে যায়নি। সংসারে বৌয়েদের মায়েদের নীরব অভিমান ক’জনই বা অনুভব করে?

ছেলেমেয়েরা বড় হল। দুজনেই কৃতি। বুবুনের তো চোখ ধাঁধানো কেরিয়ার। মেডিক্যাল কলেজের গোল্ড মেডেলিস্ট। এখন অরল্যন্ডোতে পেডিয়াট্রিক কার্ডিওলজি হসপিটালের কার্ডিওভাস্কুলার সার্জন। আর মিলি গড়বেতা কলেজের ইকনমিক্সের প্রোফেসর। ওর হাজব্যান্ড ব্রতও ঐ  কলেজেরই ফিজিক্সের প্রোফেসর।

 জটিলেশ্বর রিটায়ার করলেন। যিনি এককালে টিভি বিমুখ ছিলেন, তিনিই টিভিটা অধিকার করলেন। নতুন টিভি। এল ই ডি। তখনও অনুপমার জায়গা হয়নি। কারণ জটিলেশ্বর দেখতেন, দেশ দুনিয়ার খবর আর স্পোর্টস। সিনেমা সিরিয়াল দেখাকে তিনি ফালতু সময় নষ্ট ভাবতেন। অনুপমারও নিজের পছন্দ জাহির করার ইচ্ছেটা কবরচাপা পড়ে গিয়েছিল।  

আজ এতকাল বাদে, ইন্দুর কথা শুনে ইচ্ছেটা যেন কবর থেকে উঠে এল। অনেকদিনের অনভ্যাস তাই প্রথমে মনে হল, জটিলেশ্বর এই সবে মারা গেছেন। এখন টিভি চালিয়ে আমোদ করলে লোকে কী বলবে? তারপর শোবার ঘরে  স্বামীর ছবির দিকে চোখ পড়তে নিজেই একটু মুচকি হেসে টিভি চালিয়ে দিলেন। বলুক লোকে! এদিকে কেবলওয়ালারা তো ঠিক টাকা নিয়ে যাচ্ছে। উনি অভ্যাসবশে দিয়েও যাচ্ছেন।  

প্রথম কয়েকদিন হুজুগে পড়ে ইন্দুর সাথে খুব টিভি দেখা হল। ইন্দু সিরিয়ালের পোকা। কিন্তু কিছুদিন যেতে না যেতেই অনুপমার মন বিগড়ে গেল। এসব কী সিরিয়াল? প্রতিটি বাড়িতে প্রচুর লোক আর  ষড়যন্ত্র ভর্তি। আর সিধেসাদা একটা বউ। যার কোনো মান অপমান বোধ নেই। যার স্বামীর জীবনে দ্বিতীয় নারী থাকবেই। আর আজকালকার ভালো সিনেমাগুলো বুঝতে তাঁর সময় লাগবে। চর্চা করতে হবে।  পুরোনো সিনেমা মাঝে মাঝে দেয় বটে। কিন্তু বিজ্ঞাপন বিরতিতে চ্যানেল ঘুরিয়ে ভুলে যান  অনুপমা। কখনো হারিয়েও ফেলেন।     

অনুপমা টিভি বন্ধ করে দেন। মনে মনে বলেন, ধুস্ আর এবয়সে হবে না। ইন্দু মাঝে মাঝে দেখে। কথায় কথায় অনুপমার নিরাসক্তির কারণটা বুঝে যায় ইন্দু। ওই সমাধান করে। বলে, মাসি দাদা তোমায় যে ল্যাপটপটা দিয়েছে ওটা একটু দাও। বুবুন গতবছর একটা দামী ল্যাপটপ কিনে দিয়ে গিয়েছিল। যাতে অনুপমা আর জটিলেশ্বর সুদূর আমেরিকায় নাতির সাথে ভিডিও কল করতেন, এখন অনুপমা করেন।   

অনুপমা ল্যাপটপ দেন। সাবধানও করেন। দেখিস মা, খারাপ করে দিস না। ইন্দু হাসে। বলে, স্কুলে শিখেছি তো। ল্যাপটপটা ঘাঁটে। খানিক বাদে অনুপমাকে ডাকে। এসো মাসি, শিখে নাও। এই দ্যাখো তোমার ‘তেরো পার্বন’, ‘বিবাহ অভিযান’। তুমি উত্তমকুমার সৌমিত্র চ্যাটার্জ্জীর পুরোনো সিনেমা দেখবে? দ্যাখো কীভাবে দেখতে হয়। ইন্দু খুব ধৈর্য ধরে বয়স্ক ছাত্রীকে সিনেমা ডাউনলোড করা, ইউ টিউব চালানো শেখায়। তারপর বলে, মাসি, তুমি একটা ওয়েব চ্যনেল সাবস্ক্রাইব করে নাও না। ওখানে আরো ভালো ভালো সিনেমা পাবে। শুধুমুদু কেবলওয়ালাকে টাকা দিতে হবে না। অনুপমা মৃদু হেসে বলেন, করব রে বাবা! আগে এগুলো দেখে শেষ করি। কিন্তু যার শেষ নেই তা শেষ করবেন কী করে?    

বেশ কিছুদিন কেটে যায়। ইন্দু মাধ্যমিক পরীক্ষা দিতে বাড়ি চলে গেছে। এরপর হোস্টেলে থেকে পড়াশুনা করবে। অনুপমা এখন খুব ভালো আছেন। স্মার্ট ফোনেও কত কী নিজে শিখে নিয়েছেন। কানে কর্ড গুঁজে নিজের ব্যক্তিগত পছন্দের জগতে চলে যান। জটিলেশ্বরের ছবিটার ঠিক তলায় বসেই।

বোকাবাক্সটা বসার ঘরে পড়ে থাকে। একদিন ও নিজে নিজে খারাপ হয়ে যাবে। সেই ভবিষ্যতের কথা ভেবে মাঝে মাঝে অনুপমার মুখে একটা নিষ্ঠুর হাসি খেলে যায়।    


Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top