2026

dwando antardwando2

দ্বন্দ্ব -অন্তর্দ্বন্দ্ব – পর্ব ১০

গা গুলানো আধময়লা অন্ধকারের ভিতর দিয়ে ধীরে গতিতে সুবিধাবাদ এগিয়ে এল।
ভ্রুভঙ্গে বিদ্রূপের ছোঁয়া, টানা চোখদুটোর বড় বড় আঁখি পল্লবে জেগে আছে স্বার্থপরতার তীব্র নিক্ষেপ। সুবিধাবাদ দেখতে বড় সুন্দর। সুবিধাবাদ দেখতে বড় কুৎসিত। তবু তার মোহে আচ্ছন্ন হয়ে পড়লো গোটা প্ল্যাটফর্ম। ঈষৎ রাগের উগড়ে ফেলা অক্ষর সংখ্যার সামনে নিশ্চুপ হয়ে দাঁড়ালো। তার ঈষৎ কুঁজো অবয়ব, তার ধবধবে সাদা পোশাক ,তার ধারালো নিস্তব্ধ
নিষ্করুণ মুখ কৃত্রিম মেধাকে চঞ্চল করে তুললো।
কৃত্রিম মেধা মুখ শনাক্ত করা শুরু করলো
ম্যাচিং…
ত্রুটি…
ডেটা বিকৃতি…
পরিচয় নিশ্চিত করা যাচ্ছে না…

দ্বন্দ্ব -অন্তর্দ্বন্দ্ব – পর্ব ১০ Read Post »

নাট্যগল্পের অন্তর্চলন, নাট্যসাহিত্য
poramatir gram parbo ek

পোড়ামাটির গ্রাম – প্রথম পর্ব

[পোড়ামাটির মন্দিরের গায়ে শত শত বছর ধরে স্থির হয়ে থাকা নারী, পুরুষ, দেবতা, যোদ্ধা ও অজানা শরীর। কিন্তু সত্যিই কি তারা স্থির? বাংলার শিল্পের দীর্ঘ ইতিহাসের ভিতর দিয়ে এক সময় থেকে অন্য সময়ে যাতায়াত করতে করতে পোড়ামাটির গ্রাম খুঁজে ফেরে কয়েকটি মানুষের জীবন, আকাঙ্ক্ষা ও রহস্যময় যোগসূত্র। প্রাচীন শিল্পীর আঙুলে তৈরি এক নারীমূর্তি, বহু পরে অন্য এক শিল্পীর সামনে এসে দাঁড়ানো এক নারী, এবং বর্তমানের এক মানুষ—যে ক্রমশ আবিষ্কার করে, ইতিহাস কখনও শেষ হয়ে যায় না। পাল-সেন যুগ থেকে ঔপনিবেশিক বাংলা, টেরাকোটার মন্দির থেকে আধুনিক শিল্পের নিঃসঙ্গ স্টুডিয়ো—সময় এখানে সরলরেখায় চলে না। একই মুখ, একই শরীর, একই অসমাপ্ত আকাঙ্ক্ষা কি বারবার ফিরে আসে? নাকি বাংলার মাটি তার শিল্পের ভিতরে গোপন করে রাখে মানুষের এমন এক ইতিহাস, যা কোনও রাজবংশের ইতিহাসে লেখা হয়নি? পোড়ামাটির গ্রাম শিল্প, শরীর, প্রেম, স্মৃতি ও সময়ের ভিতর দিয়ে হারিয়ে যাওয়া এক রহস্যের অনুসন্ধান।]

পোড়ামাটির গ্রাম – প্রথম পর্ব Read Post »

কাহিনি, ধারাবাহিক উপন্যাস
murder on the orient express15

মার্ডার অন দ্য ওরিয়েন্ট এক্সপ্রেস – ​পর্ব-১৫

পাসপোর্টগুলো নাড়াচড়া করতে করতেই এরকুল পোয়ারো ডেকে পাঠালেন কাউন্ট এবং কাউন্টেস আন্দ্রেনীকে। কাউন্ট কিন্তু একাই এলেন। চেহারা ও বেশভূষায় এক্কেবারে ইংরেজ। ছফুটের মতো হাইট, চওড়া কাঁধ।
​প্রারম্ভিক পারস্পরিক অভিবাদন বিনিময় শেষ হলো।
​কাউন্ট: বলুন, আপনাদের জন্য কী করতে পারি?
​এরকুল: আপনি শুনেছেন হয়তো গতকাল রাত্রে এই ট্রেনে একটা ভয়াবহ হত্যাকাণ্ড ঘটে গেছে। রেল কর্তৃপক্ষের তরফে সেই হত্যাকাণ্ডের তদন্তের দায়িত্ব আমাকে দেওয়া হয়েছে। সেই কারণেই—
​কাউন্ট: নিশ্চয়ই, তদন্ত তো করতেই হবে। কী নৃশংস হত্যা! তবে আমরা বোধ হয় তেমন কোনো সাহায্যই করতে পারব না। গতকাল রাত্রে আমি ও আমার স্ত্রী একটু তাড়াতাড়িই ঘুমিয়ে পড়েছিলাম।
​এরকুল: আপনি কি নিহত ব্যক্তিটির আসল পরিচয় জানেন?
​কাউন্ট: (কোণের টেবিলের দিকে আঙুল বাড়িয়ে) গতকাল লাঞ্চের সময় ওই কোণের টেবিলে যে আমেরিকান ভদ্রলোক বসেছিলেন, তিনিই কি?
​এরকুল: হ্যাঁ হ্যাঁ, ঠিকই ধরেছেন, তিনিই গত রাতে খুন হয়েছেন। ওনার নামটা কি আপনি জানেন?

মার্ডার অন দ্য ওরিয়েন্ট এক্সপ্রেস – ​পর্ব-১৫ Read Post »

অনুবাদ, ধারাবাহিক উপন্যাস
paap16

পাপ – পর্ব ১৬

এমন সময়ে যদি দৌড়ে পালিয়ে যাওয়া যায় তাহলে যেন সব দিক রক্ষা করা যায়। কিন্তু আমার পা দুটো যেন পাথরের মতো ভারী হয়ে গেল । দরজাটা সশব্দে খুলে গেল, রুক্ষ গলায় শৈলেন বাবু ধমকে উঠলেন, “কী হয়েছে টা কী?”

প্রায় অস্ফুটে উচ্চারণ করলাম, “মা পড়ে গিয়ে কেমন যেন করছেন। এদিকে কঙ্কাকে কোথাও দেখতে পাচ্ছি না।”

প্রত্যুত্তরে যে বিজাতীয় শব্দ গুলো তাঁর ঝাঁজালো কটু গন্ধ যুক্ত মুখ থেকে বের হয়েছিল সে গুলো আমার চেনা না হলেও বুঝেছিলাম ভদ্র সভ্য কিছু নয়। কিন্তু সেসব আমার উদ্যেশ্যে না নিজের মায়ের উদ্যেশ্যে বর্ষণ হলো কে জানে। মাথা নিচু করে ফিরে আসার সময় দেখলাম এলোমেলো করে কোন রকমে থানটা গায়ে জড়িয়ে ওঁকে প্রায় ঠেলে কঙ্কা বের হয়ে এল। ও ওই অবস্থায় শাশুড়ির ঘরে ঢুকতেই আমি আঙ্গুল তুলে বললাম, “ওঁকে ছোঁয়ার আগে চান করে এসো।”

পাপ – পর্ব ১৬ Read Post »

কাহিনি, ধারাবাহিক উপন্যাস
mujjaffarpur 13

মুজঃফরপুরের দিনগুলো (পর্ব তেরো)

কাল রাতে ওই রহস্যময় গাছটার কাছে গেছিলাম। বিরাট, মহীরুহ বলাই ভালো। আগের পর্বে ওই গাছটার কথা কিছুটা বলেছি।

বন জঙ্গল ভেঙে যেতে হলো, হাতে একটা সদ্য কেনা টর্চ, এদিকে এখন মনসার চেলা চামুণ্ডারা কিছু হলেই ফোঁস করে উঠছেন, কাজেই পদভারে মেদিনী প্রকম্পিত করে চলাফেরা করতে হয়। প্রায়ই ঘনঘোর বৃষ্টিতে সব ভিজে আছে, ঘাস বেড়ে উঠেছে, এদিকে ওদিকে নানান ঝোপঝাড়, বনের গন্ধ।

মুজঃফরপুরের দিনগুলো (পর্ব তেরো) Read Post »

গদ্য, ব্যক্তিগত গদ্য
joyshankar

বর্ষার মেয়ে বৃষ্টি

স্কুলে যাওয়ার আগে বেঁটেখাটো শ্যামলা মেয়েটা যখন এক দৃষ্টিতে উনোনে চড়ানো ভাতের হাঁড়িটার দিকে চেয়ে থাকত, তখন গীতার খুব কষ্ট হত। চেষ্টা করত তিন মেয়েকে সকালের খাবারটা অন্তত পেটপুরে দিতে। বর্ষা সবার বড়, তাই ক্ষিদেও বেশি, গোগ্রাসে গিলত। গীতার ভাগ্যের দোষ, রতনটা কত কম বয়সে চলে গেল। গ্রামে বাস, জমিজায়গা নেই, রতন পুকুরে জাল দিয়ে তবু কিছু উপার্জন করত। নেশাভাঙ যে করত না তা নয়, তা বলে লোকটা খারাপ ছিল না। সে কথা বলতে গেলে বাগদীপাড়ায় কোন পুরুষমানুষটা নেশা করে না? আগে গীতা দু-ঘর বাবুবাড়িতে কাজ করত, এখন সংখ্যাটা বাড়াতে হয়েছে। খাটত প্রচুর, তাও অভাবের সংসার।

বর্ষার মেয়ে বৃষ্টি Read Post »

Uncategorized, কাহিনি, গল্প
k. satchidanandan photocropped.jpg

কে. সচ্চিদানন্দনেরকবিতা

কে. সচ্চিদানন্দন সমকালীন ভারতীয় সাহিত্যের এক উজ্জ্বল নাম—কবি, অনুবাদক, সমালোচক ও প্রাবন্ধিক হিসেবে যাঁর অবদান গভীর ও বহুমাত্রিক। ১৯৪৬ সালে কেরালায় জন্মগ্রহণ করা এই মালয়ালম কবি তাঁর রচনায় মানবিকতা, স্বাধীনতা, ভাষা-সংস্কৃতির বহুত্ব, নির্বাসন ও রাজনৈতিক চেতনার সূক্ষ্ম দিকগুলোকে আধুনিক সংবেদনশীলতায় তুলে ধরেছেন। তাঁর কবিতায় ব্যক্তিগত অনুভূতি ও সামাজিক দায়বদ্ধতার এক অনন্য সংলাপ তৈরি হয়, যা পাঠককে গভীরভাবে স্পর্শ করে। তাঁর কবিতা ইংরেজি, হিন্দি, বাংলা সহ প্রায় ৩০টিরও বেশি ভারতীয় ও আন্তর্জাতিক ভাষায় অনূদিত হয়েছে l বিভিন্ন দেশ থেকে প্রকাশিত হয়েছে তাঁর কবিতার বই l ফলে তিনি বিশ্বসাহিত্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান অর্জন করেছেন l পাশাপাশি তিনি নিজেও নানা ভাষার কবিতাকে মালয়ালমে অনুবাদ করে আন্তঃভাষিক সাহিত্য-সংলাপকে সমৃদ্ধ করেছেন। সাহিত্য অকাদেমির প্রাক্তন সচিব হিসেবে তিনি দেশের বহুভাষিক সাহিত্যধারাকে সমুন্নত রাখার জন্য নিরলস কাজ করেছেন। তাঁর অসামান্য সাহিত্যকীর্তির স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি Sahitya Akademi Award, Kerala Sahitya Akademi Award, Vayalar Award, Odakkuzhal Award সহ বহু সম্মানে ভূষিত হয়েছেন। মানবিক মূল্যবোধ ও সৃজনশীল স্বাধীনতার পক্ষে তাঁর দৃঢ় অবস্থান তাঁকে সমকালীন ভারতীয় সাহিত্যে এক অনন্য ও প্রভাবশালী কবি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে

কে. সচ্চিদানন্দনেরকবিতা Read Post »

অনুবাদ, কবিতা
mayuri mitra

ণ-শিল্প (পর্ব – এক)

সৌন্দর্য ও শ্রেষ্ঠত্বের অবাস্তব তুল্যমূল্য বিচার কিংবা সৌন্দর্যের সঙ্গে সত্য :

সৌন্দর্যকে যিনি পরম আকুলতায় অনুভব করেন –বা পৃথিবীর যে কোনো অঞ্চলে ন্যূনতম সৌন্দর্য খোঁজেন — তাঁরা কেউই কোন শিল্প শ্রেষ্ঠ এ বিচার এড়িয়ে যেতে পারেন না ৷ সচেতন ও সংবেদনশীল সৌন্দর্যপ্রেমী মানুষ শ্রেষ্ঠত্বের বিতর্কিত প্রসঙ্গ এড়িয়ে যেতে চাইলেই সৌন্দর্য তূল্যমূল্য বিচার অজান্তে তাঁদের মনে হানা দেবেন ৷ এখন কথা হচ্ছে —সৌন্দর্যকে যদি আমরা আমাদের দেখার প্রেক্ষিত ও ” দেখার দর্শনেই ” ভিত্তিতে দেখি — তাহলে কি আমরা সৌন্দর্যের শ্রেষ্ঠত্বের বিচার থেকে সরে আসতে পারব? –যা কিনা সৌন্দর্যের নির্ভেজাল উপভোগকে নষ্ট করে দেয় ৷ তত্ত্ব জানি না ৷ জীবনের ঘটনা বলি পাঠকদের ৷ বিচার – বক্তব্য আপনাদের ৷

ণ-শিল্প (পর্ব – এক) Read Post »

গদ্য, ব্যক্তিগত গদ্য
vanga diner dhela

ভাঙা দিনের ঢালা – পর্ব পাঁচ

সত্যিই আজও আমি ভাবি, যদি আমাকে তারা চুরি করে নিয়ে চলে যেত! এখন যে বিরাটাকার  শহর বাড়তে বাড়তে গ্রামকে খেয়ে নিচ্ছে  বা গ্রাম বাড়তে বাড়তে শহর হয়ে যাচ্ছে সেই সময় কেউ ভাবতে পারতো কি? সেই দৈত্যের মতো বিরাট আমবাগানের একদিকে এক বিশাল পুকুর, পুকুরে অনেক জল, সবাই স্নান করে। স্নান করার ঘাটটুকু ছেড়ে  চারপাশ জুড়ে প্রচুর পানিফল গাছ। পানি ফলে ভরে থাকে সবসময়।  গোবরা পুরের মানুষরা তা খায়।

ভাঙা দিনের ঢালা – পর্ব পাঁচ Read Post »

আত্মজীবনী, ব্যক্তিগত গদ্য
whatsapp image 2026 06 27 at 12.23.44 pm

আমেরিকা প্রবাসের ডায়েরি – পর্ব ৯

আটলান্টা শহরে যে এত ভালো একটা মিউজিয়াম আছে জানতাম না। মাইকেল সি কার্লোস মিউজিয়াম ক্লিফটন রোডে এমোরি ইউনিভার্সিটির মেন ক্যাম্পাসের ভেতরেই।
এমোরি ইউনিভার্সিটির পত্তন হয়েছিল 1836 সালে জর্জিয়া স্টেটের অক্সফোর্ডে। 1876 সাল থেকেই মিউজিয়ামের শুরু। সে হিসেবে প্রায় দেড়শো বছর হতে চলল মিউজিয়ামের বয়স। তখন নাম ছিল এমোরি ইউনিভার্সিটি মিউজিয়াম। 1919 সালে ইউনিভার্সিটি আটলান্টাতে চলে আসার পরেও বহুদিন ধরে নানা বিল্ডিংয়ে মিউজিয়ামের মূল্যবান সংগ্রহগুলো ছড়িয়ে ছিটিয়ে ছিল। 1985 সালে মাইকেল সি কার্লোস নামে আটলান্টার এক ধনী ব্যবসায়ী মিউজিয়ামের জন্য কুড়ি মিলিয়ন ডলার দান করেন ইউনিভার্সিটিকে। তাতেই তৈরি হল মিউজিয়াম বিল্ডিং।
আমাদের দেশে একমাত্র টাটা গ্রুপের কর্ণধাররা ছাড়া আর কেউ এমন বড় অংকের দান করেন এমন তো বড় একটা শুনি না। ধনী ব্যবসায়ীর সংখ্যা তো কম নেই দেশে। কানে আসে শুধু তাঁরা ছেলে মেয়ের বিয়েতে কত রকম সোনা রূপোর বাসনে অতিথি আপ্যায়ণ করলেন, কে কত দামের পোশাক পরলেন, কত কোটি টাকা দিয়ে বাড়ি বানালেন, প্লেন কিনলেন – এই সব বাজে খবর।

আমেরিকা প্রবাসের ডায়েরি – পর্ব ৯ Read Post »

ভ্রমণ
dwando antardwando

দ্বন্দ্ব-অন্তর্দ্বন্দ্ব (পর্ব ৯)

দ্বন্দ্ব-অন্তর্দ্বন্দ্ব (পর্ব ৯)
‘পৃথিবীর কান্না মেঘ হয়ে উপর দিকে ছুটছে। তাই মনে হচ্ছে বৃষ্টি উপরের দিকে চলে যাচ্ছে। এ আর কিছু নয় ,মাধ্যাকর্ষণের‌ শোক।’ স্মৃতি অস্ফুটে কথাগুলো বলে গেল।
এনট্রপি বৃদ্ধের চোখে জল।
‘ নিয়মের বিশ্বাস ভেঙ্গে যাচ্ছে।ধীরে ধীরে
সব বল এককহীন হয়ে যাচ্ছে। স্পেস টাইম কার্ভেচার সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগছে। আমরা প্রবেশ করছি নতুন‌ ঘটনা দিগন্তের মধ্যে।’

দ্বন্দ্ব-অন্তর্দ্বন্দ্ব (পর্ব ৯) Read Post »

নাট্যগল্পের অন্তর্চলন, নাট্যসাহিত্য
ekhonkar dinguli

মুজঃফরপুরের দিনগুলো ( পর্ব ১২ )

এক কোলিগের নেপালে ব্যবসা, মাঝেমাঝেই যেতে হয়। কাঠমাণ্ডুতে বাড়িও আছে। আমার নেপাল যাওয়ার ইচ্ছা শুনে প্রস্তাব দিলেন কোনো এক ছুটিতে বেড়িয়ে পড়ার। আমি সঙ্গেই সঙ্গেই রাজি হয়ে গেলাম। তবে শর্ত একটাই, আমার ঘুরে বেড়ানো এবং বাড়িতে আসার ব্যাপারে কোনো বিধিনিষেধ আরোপ করা চলবে না। ভদ্রলোক হেসে বললেন যে আমাকে উনি কিছুটা চিনেছেন, কানাঘুষোও কিছু কানে এসেছে, আমার কবিতার বইয়ের কথাও তিনি জানেন, অতএব নেপালে আমি চাইলে নেপালিদের মতো করেই ঘুরে বেড়াতে পারি। উনি সে ব্যবস্হাও করে দেবেন।

মুজঃফরপুরের দিনগুলো ( পর্ব ১২ ) Read Post »

গদ্য, ব্যক্তিগত গদ্য
Scroll to Top