অর্ঘ্যকমল পাত্রের তিনটি কবিতা
শরীরি বাঁক মেনে তোমার পিছু করি
ঠোঁটের চাহিদায় মৃত্যু বাজি ধরি
অর্ঘ্যকমল পাত্রের তিনটি কবিতা Read Post »
কবিতা, কাব্যশরীরি বাঁক মেনে তোমার পিছু করি
ঠোঁটের চাহিদায় মৃত্যু বাজি ধরি
অর্ঘ্যকমল পাত্রের তিনটি কবিতা Read Post »
কবিতা, কাব্যফিরোজা বারান্দায় দাঁড়িয়ে দেখেছি হীরক বন্দরে ঢেউ।
দেখেছি কেল্লার ধ্বংসস্তুপে যৌবনের উদ্দাম উল্লাস।
মৌসুমী বন্দ্যোপাধ্যায়ের কবিতা Read Post »
কবিতা, কাব্যকলকাতার শরতের সন্ধ্যা। আকাশে তুলোর মতো মেঘ, রাস্তায় কাশফুলের গন্ধ, আর হাওয়ায় হালকা শীতের ছোঁয়া।
শিল্পী, তুমি কোনো দাগ টানা সীমার ভেতর জন্মাও না—
তোমার জন্ম বিস্ফোরণে,
কমলিকা ভট্টাচার্যর কবিতা Read Post »
কবিতা, কাব্যজিরাট কলোনি বাজারে বাপিদার চায়ের দোকানে পাউরুটি কিনতে গিয়েছিলাম। মিনিট দুয়েক দাঁড়িয়ে ছিলাম।
দ্য আরশোলা কমপ্লেক্স: বেকারত্ব ও সমাজ Read Post »
প্রবন্ধ, প্রবন্ধ/আলোচনাসেই ছোট বেলায় পিসি ঠাকমা বলতেন বেধবা মানুষ যতবার খোঁপা করার জন্য চুলে পাক দেবে তত যুগ তার মৃত স্বামী আর শ্বশুর কুলের সবাইকে নরক বাস করতে হয়।
এরপর একজন সাদাসিধা ইংরেজ ভদ্রলোক ডাইনিং কোচে প্রবেশ করলেন। টেবিলের কাছে এসে চুপচাপ দাঁড়িয়েই রইলেন।
এরকুল: বসুন, আপনি সম্ভবতঃ মিঃ রাশেটের পরিচারক। হ্যাঁ, স্যার।
এরকুল: আপনার নাম? এডওয়ার্ড হেনরি মাস্টারম্যান।
মার্ডার অন দ্য ওরিয়েন্ট এক্সপ্রেস (পর্ব-১১) Read Post »
অনুবাদ, ধারাবাহিক উপন্যাসথতমত খেয়ে সে বলল—কেন পারব না? নিশ্চয়ই পারব। কিন্তু ওষুধের দোকান করতে গেলে কী কী সব লাগে বলে শুনেছি যে!
এবারে নীলাদ্রি ওকে বলল—সে সব ব্যবস্থা হয়ে যাবে। তুমি শুধু দোকান চালাবে কি না, বলো! ফলের দোকানটা না হয় কাউকে লিজ দিয়ে দেবে।
—ওটা নিয়ে চিন্তা করি না। তোমাদের কাছাকাছি থাকতে পারব, এটাই তো অনেক।
পড়তে পড়তে কেটে যায় রাত,
তবুও মনে হয় কিছুই ঠিক হয় না, হাত,
কালো ছায়ার নিচে স্বপ্ন Read Post »
ছোটদের পাতাএখানে আমাদের একটা ঠেক তৈরি হয়েছে। সামনেই একটা ক্ষেত পার করে, এদের বিরাট গোয়াল, তার চারপাশে সবুজ, ওখানে একটা লিচু গাছের ঘন ছায়ায় মাচা বাঁধা হয়েছে, কলকাতার ঠেকের মতো নিয়মিত না হলেও, ছুটিছাটার দিনে ওখানে আমারই কাছাকাছি বয়সের কিছু ছেলে জড়ো হয়।
মুজঃফরপুরের দিনগুলো পর্ব ৯ Read Post »
গদ্য, ব্যক্তিগত গদ্য