2026

vanga diner dhela

ভাঙা দিনের ঢালা – পর্ব পাঁচ

সত্যিই আজও আমি ভাবি, যদি আমাকে তারা চুরি করে নিয়ে চলে যেত! এখন যে বিরাটাকার  শহর বাড়তে বাড়তে গ্রামকে খেয়ে নিচ্ছে  বা গ্রাম বাড়তে বাড়তে শহর হয়ে যাচ্ছে সেই সময় কেউ ভাবতে পারতো কি? সেই দৈত্যের মতো বিরাট আমবাগানের একদিকে এক বিশাল পুকুর, পুকুরে অনেক জল, সবাই স্নান করে। স্নান করার ঘাটটুকু ছেড়ে  চারপাশ জুড়ে প্রচুর পানিফল গাছ। পানি ফলে ভরে থাকে সবসময়।  গোবরা পুরের মানুষরা তা খায়।

ভাঙা দিনের ঢালা – পর্ব পাঁচ Read Post »

আত্মজীবনী, ব্যক্তিগত গদ্য
whatsapp image 2026 06 27 at 12.23.44 pm

আমেরিকা প্রবাসের ডায়েরি – পর্ব ৯

আটলান্টা শহরে যে এত ভালো একটা মিউজিয়াম আছে জানতাম না। মাইকেল সি কার্লোস মিউজিয়াম ক্লিফটন রোডে এমোরি ইউনিভার্সিটির মেন ক্যাম্পাসের ভেতরেই।
এমোরি ইউনিভার্সিটির পত্তন হয়েছিল 1836 সালে জর্জিয়া স্টেটের অক্সফোর্ডে। 1876 সাল থেকেই মিউজিয়ামের শুরু। সে হিসেবে প্রায় দেড়শো বছর হতে চলল মিউজিয়ামের বয়স। তখন নাম ছিল এমোরি ইউনিভার্সিটি মিউজিয়াম। 1919 সালে ইউনিভার্সিটি আটলান্টাতে চলে আসার পরেও বহুদিন ধরে নানা বিল্ডিংয়ে মিউজিয়ামের মূল্যবান সংগ্রহগুলো ছড়িয়ে ছিটিয়ে ছিল। 1985 সালে মাইকেল সি কার্লোস নামে আটলান্টার এক ধনী ব্যবসায়ী মিউজিয়ামের জন্য কুড়ি মিলিয়ন ডলার দান করেন ইউনিভার্সিটিকে। তাতেই তৈরি হল মিউজিয়াম বিল্ডিং।
আমাদের দেশে একমাত্র টাটা গ্রুপের কর্ণধাররা ছাড়া আর কেউ এমন বড় অংকের দান করেন এমন তো বড় একটা শুনি না। ধনী ব্যবসায়ীর সংখ্যা তো কম নেই দেশে। কানে আসে শুধু তাঁরা ছেলে মেয়ের বিয়েতে কত রকম সোনা রূপোর বাসনে অতিথি আপ্যায়ণ করলেন, কে কত দামের পোশাক পরলেন, কত কোটি টাকা দিয়ে বাড়ি বানালেন, প্লেন কিনলেন – এই সব বাজে খবর।

আমেরিকা প্রবাসের ডায়েরি – পর্ব ৯ Read Post »

ভ্রমণ
dwando antardwando

দ্বন্দ্ব-অন্তর্দ্বন্দ্ব (পর্ব ৯)

দ্বন্দ্ব-অন্তর্দ্বন্দ্ব (পর্ব ৯)
‘পৃথিবীর কান্না মেঘ হয়ে উপর দিকে ছুটছে। তাই মনে হচ্ছে বৃষ্টি উপরের দিকে চলে যাচ্ছে। এ আর কিছু নয় ,মাধ্যাকর্ষণের‌ শোক।’ স্মৃতি অস্ফুটে কথাগুলো বলে গেল।
এনট্রপি বৃদ্ধের চোখে জল।
‘ নিয়মের বিশ্বাস ভেঙ্গে যাচ্ছে।ধীরে ধীরে
সব বল এককহীন হয়ে যাচ্ছে। স্পেস টাইম কার্ভেচার সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগছে। আমরা প্রবেশ করছি নতুন‌ ঘটনা দিগন্তের মধ্যে।’

দ্বন্দ্ব-অন্তর্দ্বন্দ্ব (পর্ব ৯) Read Post »

নাট্যগল্পের অন্তর্চলন, নাট্যসাহিত্য
ekhonkar dinguli

মুজঃফরপুরের দিনগুলো ( পর্ব ১২ )

এক কোলিগের নেপালে ব্যবসা, মাঝেমাঝেই যেতে হয়। কাঠমাণ্ডুতে বাড়িও আছে। আমার নেপাল যাওয়ার ইচ্ছা শুনে প্রস্তাব দিলেন কোনো এক ছুটিতে বেড়িয়ে পড়ার। আমি সঙ্গেই সঙ্গেই রাজি হয়ে গেলাম। তবে শর্ত একটাই, আমার ঘুরে বেড়ানো এবং বাড়িতে আসার ব্যাপারে কোনো বিধিনিষেধ আরোপ করা চলবে না। ভদ্রলোক হেসে বললেন যে আমাকে উনি কিছুটা চিনেছেন, কানাঘুষোও কিছু কানে এসেছে, আমার কবিতার বইয়ের কথাও তিনি জানেন, অতএব নেপালে আমি চাইলে নেপালিদের মতো করেই ঘুরে বেড়াতে পারি। উনি সে ব্যবস্হাও করে দেবেন।

মুজঃফরপুরের দিনগুলো ( পর্ব ১২ ) Read Post »

গদ্য, ব্যক্তিগত গদ্য
muder on orient express

মার্ডার অন দ্য ওরিয়েন্ট এক্সপ্রেস – পর্ব-১৪

হাতে ধরা প্যাসেঞ্জার লিস্টের দিকে তাকিয়ে

এরকুল: এবার যে দেখছি রাজকুমারীর পালা।

বুঁঃ (এরকুলকে থামিয়ে) মনটা বড় খচখচ করছে। বোতামের ব্যাপারটা মিটিয়ে ফেললে হয় না। মিশেলকেই একবার ডাকা যাক। বোতাম দিয়েই মনে হচ্ছে বেচারি ফেঁসে গেল।

ডাক পেয়ে মিশেল এসে হাজির হল।

এরকুল: (মিসেস হার্বাডের জমা দেওয়া বোতামটি হাতে নিয়ে) এই বোতামটা সম্ভবত তোমার। ইউনিফর্ম পোশাক থেকে খুলে গেছে। মিসেস হার্বাডের কূপে থেকে পাওয়া গেছে।

মিশেল: (নিজের বুকে ইউনিফর্মের উপর হাত রেখে) কখনো না। আমার তো কোনো বোতাম হারায়নি।

বুঁ: অদ্ভুত ব্যাপার, তবে রেল কর্মচারীর ইউনিফর্মের বোতাম ওনার কূপেতে এলো কিভাবে?

মার্ডার অন দ্য ওরিয়েন্ট এক্সপ্রেস – পর্ব-১৪ Read Post »

অনুবাদ, ধারাবাহিক উপন্যাস
abstract1

তিনটি কবিতা – কমলিকা ভট্টাচার্য

তুমি বলো কষ্ট খুঁজে দেখতে, আমি দেখি।
কিন্তু আমার চোখের জলে দু’কলম লেখার বেশি কিছু হয় না।
ওদের পেটে ভাত জোটে না, যুদ্ধের আগুন নেভে না, রোগ শরীর ছেড়ে যায় না, মৃত্যু পথ ভোলে না কোনোদিন।

তিনটি কবিতা – কমলিকা ভট্টাচার্য Read Post »

Uncategorized, কবিতা, কাব্য
abstract2

ক্রসরোডে বাংলা: তত্ত্ব বনাম বাস্তবতা

১৯৪৭ সালের গোড়ার দিক। দেশভাগ তখন দরজায় কড়া নাড়ছে। ব্রিটিশরা বিদায় নেবে এটা নিশ্চিত। কিন্তু বাংলা কি অবিভক্ত থাকবে, নাকি টুকরো হবে? এই প্রশ্নে কলকাতার রাজনৈতিক অলিন্দ উত্তপ্ত।ঠিক এই সময়ে সামনে আসে একটি অভূতপূর্ব রাজনৈতিক সমীকরণ। মুসলিম লীগের হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী এবং কংগ্রেসের শরৎচন্দ্র বসু এপ্রিল-মে ১৯৪৭-এ হাত মেলান। তাঁরা চাইলেন ‘স্বাধীন অবিভক্ত বাংলা’ (United Independent Bengal)। অর্থাৎ বাংলা ভারতের সাথে যাবে না, পাকিস্তানের সাথেও যাবে না — সে হবে এক সার্বভৌম রাষ্ট্র।

ক্রসরোডে বাংলা: তত্ত্ব বনাম বাস্তবতা Read Post »

প্রবন্ধ, প্রবন্ধ/আলোচনা
Scroll to Top