2026

murder on the orient express

মার্ডার অন দ্য ওরিয়েন্ট এক্সপ্রেস, পর্ব-১৩

আমি তো ব্যাপারস্যাপার কিছুই বুঝতে পারছি না। তাহলে কি মিশেল এই হত্যাকাণ্ডের সাথে…

পয়রো: দাঁড়ান দাঁড়ান। ওত তড়বড় করবেন না। আগে যাত্রীদের জবানবন্দিগুলো সব শেষ করি। হ্যাঁ, এরপর তাহলে ওই সুইডিশ মহিলাকে ডাকা যাক। ওনার পাসপোর্টটা…… (পাসপোর্টটা হাতে নিয়ে) নাম তো দেখছি আলে, গ্রেটা আঁলে। বয়স ৪৯।

ভদ্রমহিলাকে ডাকা হল। ভালো মানুষ চেহারার, ধীরস্থির নম্র। মাথার চুল চুড়ো করে বাঁধা, চোখে চশমা। ফরাসি বুঝতে পারেন, বলতেও পারেন। নাম, ঠিকানা, বয়স ইত্যাদি পাসপোর্টেই ছিল।

মসিয়ে র টুকটাক জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করলেন। জানা গেল, ভদ্রমহিলা অবিবাহিত, এবং একজন প্রশিক্ষিত নার্স, নার্সিং-এ গ্র্যাজুয়েট। বর্তমানে ইস্তাম্বুলে একটি মিশনারি স্কুলে মেট্রন হিসেবে কাজ করছেন। ছুটিতে দেশে ফিরছেন।

মার্ডার অন দ্য ওরিয়েন্ট এক্সপ্রেস, পর্ব-১৩ Read Post »

অনুবাদ, ধারাবাহিক উপন্যাস
fc5c229e 8198 4453 91ab 6bed19d53fce

পাপ – পর্ব ১৪

এবারে কার্তিক মাসের মাঝামাঝি দুর্গা পুজো পড়েছিল। তারপর কালী পুজো পার হয়ে প্রায় অগ্রহায়ণ মাস পড় গেল। বাতাসে ভালো রকম শীতের শিরশিরানি, সন্ধের পরে হিম পরে। গায়ে তুষের চাদর জড়াতে হয়। মেঝেতে পা ফেলতে গেলে বেশ ঠান্ডা লাগে। এদিকে রোগীর অবস্থা ক্রমেই খারাপের দিকে যাচ্ছে। এত যত্ন করা সত্বেও শরীরের নানা জায়গায় ঘা হয়ে রস গড়াচ্ছে। পচা গন্ধে ও ঘরে টেঁকা দায়। দরজা খুললেই বিকট দুর্গন্ধ ঝাঁপিয়ে পড়ে। মানদা পর্যন্ত ঝাঁট দিতে বা মুছতে ও ঘরে ঢুকতে চায় না। বাধ্য হয়ে কঙ্কাকেই সে কাজ গুলো করতে হয়। খুব জোরে ডাকাডাকি করলে রোগী চোখ কখনো কখনো খুলছে বটে কিন্তু সে ঘোলাটে চোখের কোন দৃষ্টি নেই, ভাষা নেই। তাঁর চেতনা কোন অতলে তলিয়ে গেছে কে জানে। কানের কাছে জোরে শব্দ হলে হয়ত অভ্যেস বসত চোখ খুলে যায়। কঙ্কা আর আমি প্রাণপনে শাশুড়ির বিছানা পরিষ্কার করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।

পাপ – পর্ব ১৪ Read Post »

ধারাবাহিক উপন্যাস
Scroll to Top