এই যে আমি আমার জীবনকে মনে করে করে লিখছি এই লেখার মধ্যে একটা ধারাবাহিকতা তো থাকা উচিত। কিন্তু আমি বেশ বুঝতে পারছি, সেরকম ধারাবাহিকতা মনে হয় থাকবে না। জীবন নদীর ঢেউ তাকে অনেক দোলাবে। আমার এক বন্ধু– রুনু, সে লেখে না, বড় হয়ে পুলিশে চাকরি করেছিল। সে যখন সদ্য তরুণ আমিও তাই, আমরা আমাদের বাড়ির পাশ দিয়ে চলা ইছামতির পাড়ে দাঁড়িয়ে আছি, এক বিকেলে, নদীতে তখন অনেক বড় বড় ঢেউ, যেন আছড়ে পড়ছে বিকেল বেলা — ওপারে সূর্য অস্তাচলগত– ফট করে রুনু বলল, জানিস মলয় আমাদের জীবন না ঢেউয়ের মতন! শুনেই চমকে উঠলাম যেন, রুনু তো দারুন কথা বলল! আমি জিজ্ঞেস করলাম কেন রে ও বলল জানিনা, এই লিখতে লিখতে রুনুর কথা মনে পড়ছে। সত্যিই মানুষের জীবন ঢেউয়েরই মতন। তা যাই হোক, সেই ছোটবেলায় নবদ্বীপের গঙ্গায় নৌকো চলছে, নৌকো ওঠা নামা করছে মা বাবা দাদা সবাই দুলছে নৌকায় বসে, আমার ভাই মৃণ্ময়ের ছবি দেখতে পাচ্ছি না, আমিও দুলছি। নৌকা যেতে যেতে নদীর মধ্যে এক জায়গায় এসে বাবা বললো এ আর একটা নদী। কেন যে বলল তা বুঝিনি। সেই জীবনের প্রথম, হ্যাঁ প্রথমই, আমার নৌকায় চড়া। আমরা চলেছি অন্য জায়গায়। মানুষ সব সময় এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যায়, এখন বুঝি।
এই যে নৌকায় করে সপরিবারে আমার বাবা তার সংসারকে নিয়ে নবদ্বীপের গঙ্গা নদী পার হলেন তা কেবল একটা মাইনর স্কুলে চাকরি পাওয়ার জন্য। এর আগে নবদ্বীপে তার সংসারকে রেখে দূরে ২৪ পরগনা জেলা ট্যাংরা কলোনি নামক এক জলে ভেজা গ্রামে রিফিউজি স্কুলে ছিলেন, সেই চাকরি পাওয়াটা বেশ নাটকীয়। তখন বাবা নবদ্বীপের কোনো টোলে সংস্কৃত পড়াচ্ছিলেন, সামান্য অতিসামান্য বেতনে, ঘুরে বেড়াতেন নবদ্বীপের এখানে ওখানে, সেই সময় ফট করে দেখা হয়ে গেল বাবার এক পূর্ব পরিচিতের সঙ্গে। তিনি ওপারের ফরিদপুরের। তিনি জানতেন না যে বাবা ওই দেশভাগের ফলে এখন নবদ্বীপে। তিনি বললেন, আপনি কি চাকরি করবেন একটা? সামান্য বেতন কিন্তু। এইসব কথা বাবা আমাদেরকে শুনিয়েছে এইভাবে —- তখন তো আমি হাতে চাঁদ পেলাম। বাবা বলছেন, ওই ভদ্রলোক সরকারি চাকরি করছেন, তিনি পোড়ামাটিতলায় দাঁড়িয়ে বললেন, আপনি চলে যান বনগাঁর কাছের গ্রাম ট্যাংরা কলোনিতে, ওখানে রিফিউজিদের জন্য একটা স্কুল হয়েছে, যদিও জায়গাটি খুবই অনুন্নত। আমি তাতেই রাজি । সে গল্প অন্য একদিন করা যাবে। আমি চলে গেলাম তোদেরকে শ্রীরামপুরে রেখে।
সেই যে আমার বাবা, স্মৃতিতীর্থ, ব্যাকরণতীর্থ সেই ট্যাংরা স্কুলে চাকরি করতে গেলেন, সেখান থেকে এক যোগাযোগে চাকরি পেলেন ২৪ পরগনার গাঁড়াপোতা নামক এক বর্ধিষ্ণু জনপদের মাইনর স্কুলে। সেই স্কুলে একদিন যোগ দিয়ে তাঁর পরিবারকে নিয়ে-আসতে ফেরেন নবদ্বীপে নিজের বাড়িতে। সেই স্কুলে চাকরি করবেন বলেই এই এখন নবদ্বীপের গঙ্গা পার হচ্ছেন তার পরিবার নিয়ে, নৌকো দুলছে আমি দুলছি, অবাক চোখে প্রসারিত আকাশ দেখছি, দাদা বসে আছে বাবার কোল ঘেঁষে, আমি মায়ের কোল ঘেঁষে, চলছি দুলে দুলে । আমি ভাবি একটা ভেঙে যাওয়া দেশের থেকে উৎখাত হওয়া দরিদ্র পরিবারের প্রধানকে কী বিপুল পরিশ্রম করতে হয় শুধু তার স্ত্রী পুত্র পরিবারকে ঠিক রাখতে। আমার বাবার মুখে কোনদিন বিষণ্ণতা দেখিনি। দেখেছি দুশ্চিন্তার রেখা।
২৪ পরগনার এক প্রত্যন্ত অঞ্চলের একটা মাইনর স্কুলের শিক্ষক হলেন কিন্তু থাকবেন কোথায়? কে থাকতে দেবে তাদের? তখন ওইসব জায়গায় বাড়িতে বাড়িতে ভাড়া থাকার চল ছিল না। ভালোবেসে কোন দয়ালু গৃহস্বামী এমনিই থাকতে দিতেন।
এর পরেরটুকু যা শুনেছি তা একেবারে সিনেমার মতো। শুনেছি কেন, দেখেছিও। একটা শিশুর চোখ দিয়ে দেখা।
গাঁড়াপোতার স্কুলের শিক্ষক সিদ্ধেশ্বর মুখার্জি যিনি পরে আমাদের কাকা হয়ে যাবেন, তিনি- সেখানকার জমিদার হাজরাপদ রায়চৌধুরীকে গিয়ে বললেন। এগুলো কিন্তু আমার পরে শোনা। আমাদের স্কুলে নবদ্বীপ থেকে একজন পন্ডিতমশাই এসেছেন তার যদি একটা থাকার ব্যবস্থা করে দেয়া যায়, এই প্রস্তাব আগেই দিয়েছিলেন। ওই কাকা এবং হাজরাপদ রায়চৌধুরীর দিল-খোলা সম্মতি পাওয়ার পরেই এই নৌকা করে ঢেউয়ে ভেসে ভেসে একটা গান-কবিতা-মাখা সংসার নদিয়া জেলা টপকে চব্বিশ পরগনা জেলায় চলে আসে। কেন গান-কবিতা- মাখা বললাম সে তো আগেই বলেছি, যে আমার মা আর তার এক বন্ধু, সেও ফরিদপুর রাজবাড়ির, অসামান্য গান গাইত। শিখতো ওস্তাদ ধরে আর কুমার নদের পাড়ে বসে দুই বান্ধবী গল্প করত। তাদের দুজনকেই একদিন কলকাতা নিয়ে যাবেন তাদের সেই সংগীত-শিক্ষক-ওস্তাদ রেকর্ড করানোর জন্য কিন্তু তা আর হয়নি। জীবনের ধাক্কা আর ঢেউ বড় সাংঘাতিক, কে যে কখন ছিটকে পড়ে কোথায় তা কেউ জানে না। তা না হলে আমি আকাশছোঁয়া অভিনেতা অজিতেশ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাহুবন্ধন কাটিয়ে কেন এই বেদনাদীর্ণ ঢেউ-এর জীবন বেছে নিয়ে আনন্দের সন্ধান করে চললাম (চললুম লিখি?)? কেন? আজ সবাই আমরা জানি আমাদের প্রত্যেকের জীবনের ঢেউয়ের মাথায় মাথায় অজস্র ‘কেন ‘ লেখা থাকে- সত্যিই এই কেনর উত্তর খুঁজে পাওয়া যায় না। কেন আমি আবর্ত ম্যাগে লিখছি, উত্তর খুঁজে বের করার চেষ্টা করে দেখেছি কিন্তু ফেল করেছি। অনেক বন্ধু হয়তো বলবেন কেন তোমায় আবর্ত-র প্রধান বলেছেন বলেই তুমি লিখছো। কিন্তু না তেমনটি নয়, আমার তো শুধু গান লেখা এবং সুর করারই কথা ছিল। মনে পড়ে সত্তরের প্রথম দিকেই আমি একের পর এক গান লিখতে থাকি এবং সুর করতে থাকি। এই চেষ্টাটি এসেছিল আমার মায়ের কাছ থেকে। দেখতাম আমার মা গান লিখে সুর করতো আর সেই গান গাইতো আমার মেজো বোন মমতা। মমতার গলা ছিল অসম্ভব ভালো, তার গাওয়া নজরুলগীতি শুনতে বাড়িতে অনেক লোক আসতো। যাকে নিয়ে আমি অনেক কবিতা লিখেছি সেই মেজো বোন একদিন তার স্বামী এবং কন্যা রেখে দুম করে মরে গেল। যাকে মনে করে লিখেছিলাম, ‘তুই আমার সেই বোন যার হাত ধরলে হাতে আলো লেগে যায়’। যাক গে, আবার অন্যদিকে চলে যাচ্ছি। লিখছিলাম আবর্ততে কেন লিখেছি সুরকারের পৃথিবীতে না গিয়ে।
মনে পড়ে সেই সব দিনগুলি। সত্তরের প্রথম দিনগুলিতে সুর করছি আর গান লিখছি। তখন বাম দলের সাংস্কৃতিক সংস্থা ‘গণতান্ত্রিক লেখক শিল্পী সংঘ’র শাখা সংগঠন হিসাবে বনগাঁয় তৈরি হয়েছিল ‘সুকান্ত শিল্পী সংস্থা’। এই শিল্পী সংস্থার শিল্পীরা আমার লেখা এবং সুর করা গান গাইত। আসলে এরও আগে প্রাবন্ধিক সম্পাদক বিশ্বজিৎ ঘোষ এবং তার বন্ধুরা আমার লেখা এবং সুর করা গান বিভিন্ন জায়গায় গেয়েছে কিন্তু সুকান্ত শিল্পী সংস্থা যেহেতু বামফ্রন্টের ‘গণনাট্য শিল্পী সংঘ’র মনোনীত শাখা সংগঠন এবং তারা আমার গান রাজ্যের বিভিন্ন অনুষ্ঠান মঞ্চে (রাজনৈতিক) পরিবেশন করে, সেক্ষেত্রে মনে হতে পারে যে আমি বাম রাজনীতির মানুষ। না তা একেবারেই নয়, বরং আমি ছিলাম একেবারেই অরাজনৈতিক এবং তখনকার যে রাজনৈতিক ব্যক্তিদের সাথে আমার বেশি ওঠাবসা ছিল তারা সবাই কংগ্রেসের। আসলে সত্তর-একাত্তরে আমি যখন কলেজে পড়ি তখন কলেজে বিপিএসএফকে হারিয়ে এসপি অর্থাৎ কংগ্রেসের ছাত্র সংগঠন ‘স্টুডেন্ট পরিষদ’ কলেজের সংসদ দখল করে। তখন আমি রাজনীতি না করলেও তাদের বন্ধু ছিলাম বলা ভালো আমার একদম প্রিয়তম বন্ধু তথা স্টুডেন্ট পরিষদের নেতা দেবু চ্যাটার্জী ছিল আমার জিগরি দোস্ত অথচ আমি রাজনীতি থেকে শত হস্ত দূরে থাকতাম। দেবু পোস্টার লিখে দিতে বললে লিখে দিতাম কারণ আমার ক্যালিগ্রাফি ভালো সেই সময়।
যেভাবে লিখছি আমি, তাতে মাঝে মাঝে মনে হবে মলয় গোস্বামী ধান ভানতে শিবের গীত আরম্ভ করেছেন। না না তা নয়, আমার জীবন যেভাবে নড়াচড়া করেছে সেখানে ঘটনাবলী ঠিক সোজাসুজি আসতে পারে না। তা যাই হোক আমি বলতে চাইছি যে বামফ্রন্টের সাংস্কৃতিক সংঘ আমার লেখা এবং সুর করা গান গাইছে বলে আমি কিন্তু একেবারেই বামদলীয় নই বরঞ্চ আমাকে সবাই কংগ্রেস বলেই মনে করতো। তো যাই হোক সেই কলেজের দিনগুলির প্রথমদিকে অনেকেই আমাকে কংগ্রেস বলে মনে করত। তখন হঠাৎ সুব্রত মুখার্জি এবং নির্মলেন্দু ভট্টাচার্য ‘শিক্ষা বাঁচাও কমিটি’ নামে একটা সংগঠন তৈরি করল। তাদের অনুষ্ঠান হলো বনগাঁয়। সেই অনুষ্ঠানে এক বন্ধুর টানে গিয়েছি। কিন্তু আমাকে তো রাজনীতি কোনোভাবেই টানেনি। এদিকে সমগ্র বনগাঁতে আমি তখন ঘোষিত কংগ্রেসি। সেই ঘোষিত কংগ্রেসি মলয় গোস্বামীর লেখা ও সুর করা গণসংগীত পরিবেশন করছে ‘সুকান্ত শিল্পী সংস্থা’ যার সদস্যরা বাম দলের প্রত্যক্ষ কর্মী।
এই যে আজ আমি লিখছি ‘ভাঙ্গা দিনের ঢেলা’ ৭ই জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে- সে যেন লিখছি ৭৩ বছরের উঁচু একটা বট গাছের মাথায় বসে। নিচের দিকে তাকিয়ে দেখতে পাচ্ছি আমার সমগ্র জীবনের খুঁটিনাটি আর বিস্মিত হয়ে যাচ্ছি। আর বিস্মিত না হতে পারলে কিচ্ছুটি লেখা যায় না। দেখতে পাচ্ছি মলয় গোস্বামী নামক এক যুবক ৭০ দশকের প্রথম দিকে গান লিখে সুর করছে। যে বনগাঁ শহরে কংগ্রেসি বলেই বিদিত, তার সুর করা গান ‘সুকান্ত শিল্পী সংস্থা’, তাদের রাজনৈতিক প্লাটফর্মে সে গাইছে, গাইছে —“রাত্রির অন্ধকার কাটে /তমসা যাবে /আসবে আলো /পাপীরা মরবে/ ঝড় ও ঝঞ্ঝায় /চেয়ে দেখো /ওই ধানের খেতে /প্রহরী যেন /শানানো কাস্তে /মুষ্টিবদ্ধ হাত তুলে /বিশ্বজনের সেলাম জানায়” এইসব গান আমার সুর করা এবং লেখা। সুকান্ত শিল্পী সংস্থার সদস্যরা আমার গান গাইত বলে, ওদেরই কিছু জন বিরোধিতা করতেন, আমি শুনতাম। যারা বিরোধিতা করতেন তাদের নাম আমি এখানে উহ্য রাখছি। আর আমি তখন নাটক পরিচালনা করি। শো হয় সুর দিই আর তখন ১৯৭২ সাল আসে, তখনই আমার স্থিতধী শিল্প জীবন একেবারে উল্টেপাল্টে দিল একটি নাটক এবং কাফকা। মঞ্চস্থ করলাম বাদল সরকারের ‘এবং ইন্দ্রজিৎ’। পরপর দু’দিন শো- আমি ইন্দ্রজিতের ভূমিকায়। এই কাফকা এবং বাদল সরকার আমার এত দিনের স্থিতধী সাংস্কৃতিক জীবনকে একেবারে নাড়িয়ে দিল। আগের সমস্ত ধ্যান-ধারণা চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে গেল। নতুন চোখে দেখতে লাগলাম চতুর্দিক।
এই সময় গানের সুর করাও চলল যেন নিমেষে সুর এসে ধরতো আমায়। রবীন্দ্রনাথের গানও নতুন ভাবে কথা বলল। যাইহোক, এই যে আমার মতো এক কংগ্রেসি ছেলের সুর করা গান, সে গান কিন্তু সুকান্ত শিল্পী সংস্থা গেয়েই চলেছিল অনেকের বিরোধিতা সত্ত্বেও। একদিন শুনলাম গণনাট্যের ৫০ বছরের সংকলনে আমার লেখা একটি গান স্থান পেয়েছে। আশ্চর্য! সেখানে তো জ্যোতিরিন্দ্র মৈত্র, সলিল চৌধুরী থাকবেন! স্থান পেয়েছে তবে তা আমি চোখে দেখিনি।
এরপরে নয়-এর দশকে অনেক নাটকের গানে অনেক সুর করেছি। অনেক দল এসে আমাকে দিয়ে লিখিয়েছে, সুর করিয়ে নিয়েছে। একজন কবির ৩০ টি গানের সুর করেছি। অনেক জায়গায় গেয়েছি কিন্তু সেই কবিকে জানাইনি কারণ তিনি মনে করতে পারেন আমি তাঁর দৃষ্টি আকর্ষণ করার চেষ্টা করছি। এরই মধ্যে একটা মজার কথা জানাই। ওই যে বললাম অনেক গান লিখে সুর করে দিয়েছি প্রগতিশীল দলের সংস্কৃতিক সংস্থায়, সেখানে সেই গান গাওয়া হলেও তারা আমার নাম উচ্চারণ করেনি এমনকি একবার এক প্রগতিশীল দলের সংস্কৃতিক সংস্থার মূল গায়ক আমাকে দিয়ে গান লিখিয়ে, সুর করিয়ে নিজের নামে চালিয়েছে। এবং উক্ত দলেরই কেউ আমাকে সেকথা জানিয়েছে। আমি দুঃখ পেয়েছি তার সেই সংস্কৃতিতে। আমার গান এবং সুর তার হয়ে গেছে। এই সংস্কৃতি আঘাত করেছে আমাকে। এই যে লিখছি আবর্ত-র জন্য আজ কিছু পরে হয়তো একা একা আমার ছোট্ট ঘরে সন্ধ্যার পরবর্তী সময়ে নতুন গানের সুর করব আর মনে করব এ পৃথিবী সুরের অথচ সুরের পৃথিবীতে অসুরেরাই থাকবেই, তা আমি কেন মেনে নিতে পারি না!
ক্রমশ




অপেক্ষায় রইলাম 🙏
অপেক্ষায় রইলাম 🙏
এই দ্বিতীয় পর্বও পড়ে ফেললাম। ভালো লাগল । বনগাঁর গণসঙ্গীতের ইতিহাসে এই পর্ব এক তথ্যচিত্র হয়ে থাকবে।