2026

murderonorientexpressparbo16

মার্ডার অন দ্য ওরিয়েন্ট এক্সপ্রেস- পর্ব-১৬

রকুল: মেসিয়ে বুঁ-র দিকে তাকিয়ে, মাই ডিয়ার ডিরেক্টর, একটু ধৈর্য ধরুন। আগে ফার্স্ট ক্লাসেরগুলো শেষ হোক, তারপর না হয়। এখন কর্নেল আর্বাথনটকে ডাকা যেতে পারে।
কিছুক্ষণ পরেই কর্নেল আর্বাথনট প্রবেশ করলেন ডাইনিং কোচে।
কর্নেল ফরাসি ভাষায় তেমন স্বচ্ছন্দ নন, ইংরেজিতেই কথাবার্তা শুরু হলো। নাম, ধাম, বয়স ইত্যাদির পর জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করলেন।
এরকুল: ইন্ডিয়া থেকে দেশে ফিরছেন, ছুটিতে?
আর্বাথনট: হ্যাঁ।
এরকুল: জাহাজে না ফিরে এই পথে?
আর্বাথনট: দেখুন, সেটা আমার ব্যক্তিগত ব্যাপার।
এরকুল: ইন্ডিয়া থেকে সোজা এখানে আসছেন?
আর্বাথনট: বাগদাদ হয়ে, সেখানে একটা কাজ ছিল। (একটু বিরক্ত হয়ে) ব্যক্তিগত ব্যাপার তবু বলছি, বাগদাদে আমার এক পুরনো বন্ধুর কাছে দিন তিনেক কাটিয়ে আমি লন্ডন রওনা দিয়েছি।
এরকুল: বাগদাদে তিনদিন ছিলেন। ঐ ইংলিশ লেডি মিস্ ডেবেনহ্যামের সঙ্গে কি বাগদাদে আলাপ?
আর্বাথনট: না। ওনার সঙ্গে আমার আলাপ ট্রেনে। কিরকুক থেকে নিসবিন যাওয়ার পথে।
এরকুল: কিছু যদি মনে না করেন। মিস্ ডেবেনহ্যামের সম্পর্কে আপনার ধারণা কেমন?

মার্ডার অন দ্য ওরিয়েন্ট এক্সপ্রেস- পর্ব-১৬ Read Post »

অনুবাদ, ধারাবাহিক উপন্যাস
paap 17

পাপ – পর্ব ১৭

বেলা বাড়তে না বাড়তে বাড়িতে পাড়ার লোক ভেঙে পড়লো। মৃতার শরীর একটা শীতল পাটিতে করে তুলসী তলায় নামানো হয়েছে, মাথার কাছে মাটি সুদ্ধু তুলসী চারা। যত্ন করে চন্দনের ফোঁটা দিয়ে কপাল সাজিয়ে দিয়েছে কেউ। চোখের ওপর তুলসী পাতা। পাড়ার ছেলেরা বাঁশ কেটে চালা তৈরী করছে। শব দেহের দুর্গন্ধ চাপা দেয়ার জন্য অগরু ছড়ানো হচ্ছে, গোছা গোছা ধুপকাঠি ধরানো হয়েছে। 
বাড়ির বড় আর মেজ ছেলেরা খবর পেয়ে তড়িঘড়ি নিজের নিজের পরিবার নিয়ে চলে এসেছে। দেহ ঘর থেকে বের করার আগে মৃতাকে গঙ্গা জল খাওয়ানোর হিড়িক পড়ে গেল । শেষ সময় কে ছিল, মুখে জল দেওয়া হয়েছিল কিনা। অবস্থা এত খারাপ তাও কেন খবর দেওয়া হয় নি … এসব দোষারোপ চলতেই থাকলো। পাড়ার মহিলারাও তাতে যোগ দিল । আমি ওখান থেকে সরে এসে নিজের ঘরে দোর বন্ধ করে মেঝেতে বসলাম । উঠোনে সমস্বরে চিৎকার করে কান্নাকাটি শুরু হয়েছে, রোদনকারীনিদের কারও গলা আমার পরিচিত নয়।

পাপ – পর্ব ১৭ Read Post »

কাহিনি, ধারাবাহিক উপন্যাস
poramatir gram 3rd

পোড়ামাটির গ্রাম – তৃতীয় পর্ব

নিজের স্বপ্নকে তাড়া করে যে এভাবে ঘর ছেড়ে বেরোতে পারবে কোনোদিন, সে কথা মৃন্ময় বুঝতেই পারেনি প্রথমে। আসলে এ কথা বোঝা যায় না। কথায় বলে, যখন ডাক আসে, তখন একমাত্র বোঝা যায় সে ডাক কেমন। সে ডাক নাকি মনের ভিতরে এমন এক টান দেয়, যখন তাকে আর অগ্রাহ্য করা যায় না। মৃন্ময়ের প্রতিটি স্বপ্নে সুত্রধর পাল যখন তখন আসত, আসত সেই অপরূপ সুন্দরী শালভঞ্জিকা। কিন্তু শালভঞ্জিকা কোনও কথা বলত না। শুধু তাকিয়ে থাকত। একটি মূর্তি হিসেবে নয়, বরং এক জীবন্ত অস্তিত্ব হিসেবেই তার এই আকাশের মতো তাকিয়ে থাকা।

পোড়ামাটির গ্রাম – তৃতীয় পর্ব Read Post »

কাহিনি, ধারাবাহিক উপন্যাস
Scroll to Top