আমৃত্যু একটি দাগ
এক
একটাই দাগ। চলা বলতে চোখের সামনে কি দেখো? দাগ তেমনই তো। তোমার পাশের বাড়ির নদী অথবা গতবছর অত ঝগড়া করেও হাত ধরে যে নদী দেখতে গেলে— এমননই, হাওয়ায় হাওয়ায় যে হারিয়ে যায়
দুই
না না, সবাই ভুল বলে, কোনও চিহ্ন নয়— তোমার চলা নির্দিষ্ট করা আছে। সদর দরজার ডানপাশের গাছটির গল্প শুনো— একদিন শিশির ঝরা সকালে কোলাহলমুখর দাগটি…
তিন
হাতটা সোজা করে ধরো— একদিন এখানেই ট্রেন আসবে, উঠতে পারো আবার না উঠলেও তোমাকে জোর করে কেউ তুলে দেবে না, শুধু মনে করে দেখো কাল বিকেলের গল্পে হঠাৎ করে একটা ট্রেন এসে গিয়েছিল অথবা আজ ভোরের গল্পটায় ট্রেন এসে কেমন স্টেশন খালি করে দিল
চার
এই যে গাছপাতায় ভাত রাঁধলে, সূর্যের আটচালায় পরিবার নিয়ে ছড়িয়ে গেলে— কোথাও একটা ঘর— গাছতলায় হতে পারে, স্কুলদুয়ারে হলেও… পিঠ পাতা ছাড়া তো আর কিছু নয়— দাগ— সাদা পাতায় অ লেখা আছে আর তুমি তার পরিধি ধরে আমৃত্যু হেঁটে চলেছো।



