আবর্ত
নিরাময়ের আশ্বাসে তুমি বিছিয়ে দাও মাদুর,
জল শরীর তবু আরোগ্যের লোভে প্রতারক সাজি বারবার। প্রাচীন উল্লাস। বৈবাহিকা পথে নদীজন্ম লবঙ্গ এঁকে বুকপথ
পাহাড় ঘেরা মাঠ।
উত্তম পুরুষ ঈশ্বরী সাজে হরিণমোহ আর শরীরে শরীরে চাঁদ সংসার। পদ্মপাতার মতো ছড়ানো, সাজানো পথ অমাবস্যায়
অর্ধনগ্ন উপবাসের দংশনে দংশনে ছোট হয়ে আসে নদ।
প্রলাপমাখা ভোরে পাখি ঠোঁট প্রাগৈতিহাসিক সাক্ষাৎকার ফুরোলে বিচ্ছেদহীন এমন আয়োজনে ছিঁড়ে তুলি জলঘট। কত কিছু ভেঙে ফেলি, জুড়ে রাখি তারও কিছু বেশি। যারা সহযোগী ছিল চমক লাগিয়ে কৃষ্ণগান, খঞ্জনি, হারমোনিয়াম –
ছিঁড়ে রাখি নিজেকে। যাত্রাপালা শেষে পায়ের ছাপে ছাপে কেবল খুঁজে ফিরি এক মুঠো অপেক্ষার সঙ্গীত। বৃষ্টি ঝেঁপে
এলে আমি তবু তোমাকেই আঁকি।



