চীবরকথা
১
সূচ ও স্তব্ধতা লিখে রাখে চীবরকথা
ধ্যানবৃত্তে পীতসুতো ঝরাপাতা রং
ভিক্ষুর সংযম আর গৃহিণীর শোক
সংঘাটির ভাঁজে জমে থেরী-গাথার স্তূপ
ধর্মরেখায় গেরুয়া বসন কোমল ধৈবত
অন্তরবাসকের নিচে বর্ণহীন রাত্রি
২
করোটিতে ঘাই মারে মনের পিশাচ
কাঁটার সিঁড়ি বেয়ে নামে মৃত্যু ও জড়া
রিরংসা, কালো সাপ জড়িয়ে রাখে জিভ
প্রজ্ঞার সারাৎসার গলিত চাঁদের অঞ্চলে
স্থির লবনের জলবিহার আর ব্রতস্বর
তীর্থতটে নীরব অশ্রু ফেলে যায়
৩
বোধিবৃক্ষের ছায়ায়
ঘুঙুর খুলে রেখেছি আজ
নিস্তব্ধতা ভেঙে কেঁপে ওঠে শাখা
চৈতন্যপথে শুনব ঈশ্বরী কথা
দীক্ষা দাও তথাগত
সমারোহ ছেড়ে এসে পেতেছি করতল
৪
ক্ষতের উপর লোধ্ররেণুর শান্ত প্রলেপ
কথাকলিতে বিলীন হোক দগ্ধতা
ভাণ্ডে ব্রহ্মাণ্ডে আসন পাতা
অখণ্ডে ঋতুখণ্ডে সৌরবীজের দীপ্তি
প্লাবন পেরিয়ে উপশমের দিকে
দিব্যচক্ষু খুলে অর্হতা দাও বাদক



