2026

joyshankar

বর্ষার মেয়ে বৃষ্টি

স্কুলে যাওয়ার আগে বেঁটেখাটো শ্যামলা মেয়েটা যখন এক দৃষ্টিতে উনোনে চড়ানো ভাতের হাঁড়িটার দিকে চেয়ে থাকত, তখন গীতার খুব কষ্ট হত। চেষ্টা করত তিন মেয়েকে সকালের খাবারটা অন্তত পেটপুরে দিতে। বর্ষা সবার বড়, তাই ক্ষিদেও বেশি, গোগ্রাসে গিলত। গীতার ভাগ্যের দোষ, রতনটা কত কম বয়সে চলে গেল। গ্রামে বাস, জমিজায়গা নেই, রতন পুকুরে জাল দিয়ে তবু কিছু উপার্জন করত। নেশাভাঙ যে করত না তা নয়, তা বলে লোকটা খারাপ ছিল না। সে কথা বলতে গেলে বাগদীপাড়ায় কোন পুরুষমানুষটা নেশা করে না? আগে গীতা দু-ঘর বাবুবাড়িতে কাজ করত, এখন সংখ্যাটা বাড়াতে হয়েছে। খাটত প্রচুর, তাও অভাবের সংসার।

বর্ষার মেয়ে বৃষ্টি Read Post »

Uncategorized, কাহিনি, গল্প
k. satchidanandan photocropped.jpg

কে. সচ্চিদানন্দনেরকবিতা

কে. সচ্চিদানন্দন সমকালীন ভারতীয় সাহিত্যের এক উজ্জ্বল নাম—কবি, অনুবাদক, সমালোচক ও প্রাবন্ধিক হিসেবে যাঁর অবদান গভীর ও বহুমাত্রিক। ১৯৪৬ সালে কেরালায় জন্মগ্রহণ করা এই মালয়ালম কবি তাঁর রচনায় মানবিকতা, স্বাধীনতা, ভাষা-সংস্কৃতির বহুত্ব, নির্বাসন ও রাজনৈতিক চেতনার সূক্ষ্ম দিকগুলোকে আধুনিক সংবেদনশীলতায় তুলে ধরেছেন। তাঁর কবিতায় ব্যক্তিগত অনুভূতি ও সামাজিক দায়বদ্ধতার এক অনন্য সংলাপ তৈরি হয়, যা পাঠককে গভীরভাবে স্পর্শ করে। তাঁর কবিতা ইংরেজি, হিন্দি, বাংলা সহ প্রায় ৩০টিরও বেশি ভারতীয় ও আন্তর্জাতিক ভাষায় অনূদিত হয়েছে l বিভিন্ন দেশ থেকে প্রকাশিত হয়েছে তাঁর কবিতার বই l ফলে তিনি বিশ্বসাহিত্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান অর্জন করেছেন l পাশাপাশি তিনি নিজেও নানা ভাষার কবিতাকে মালয়ালমে অনুবাদ করে আন্তঃভাষিক সাহিত্য-সংলাপকে সমৃদ্ধ করেছেন। সাহিত্য অকাদেমির প্রাক্তন সচিব হিসেবে তিনি দেশের বহুভাষিক সাহিত্যধারাকে সমুন্নত রাখার জন্য নিরলস কাজ করেছেন। তাঁর অসামান্য সাহিত্যকীর্তির স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি Sahitya Akademi Award, Kerala Sahitya Akademi Award, Vayalar Award, Odakkuzhal Award সহ বহু সম্মানে ভূষিত হয়েছেন। মানবিক মূল্যবোধ ও সৃজনশীল স্বাধীনতার পক্ষে তাঁর দৃঢ় অবস্থান তাঁকে সমকালীন ভারতীয় সাহিত্যে এক অনন্য ও প্রভাবশালী কবি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে

কে. সচ্চিদানন্দনেরকবিতা Read Post »

অনুবাদ, কবিতা
mayuri mitra

ণ-শিল্প (পর্ব – এক)

সৌন্দর্য ও শ্রেষ্ঠত্বের অবাস্তব তুল্যমূল্য বিচার কিংবা সৌন্দর্যের সঙ্গে সত্য :

সৌন্দর্যকে যিনি পরম আকুলতায় অনুভব করেন –বা পৃথিবীর যে কোনো অঞ্চলে ন্যূনতম সৌন্দর্য খোঁজেন — তাঁরা কেউই কোন শিল্প শ্রেষ্ঠ এ বিচার এড়িয়ে যেতে পারেন না ৷ সচেতন ও সংবেদনশীল সৌন্দর্যপ্রেমী মানুষ শ্রেষ্ঠত্বের বিতর্কিত প্রসঙ্গ এড়িয়ে যেতে চাইলেই সৌন্দর্য তূল্যমূল্য বিচার অজান্তে তাঁদের মনে হানা দেবেন ৷ এখন কথা হচ্ছে —সৌন্দর্যকে যদি আমরা আমাদের দেখার প্রেক্ষিত ও ” দেখার দর্শনেই ” ভিত্তিতে দেখি — তাহলে কি আমরা সৌন্দর্যের শ্রেষ্ঠত্বের বিচার থেকে সরে আসতে পারব? –যা কিনা সৌন্দর্যের নির্ভেজাল উপভোগকে নষ্ট করে দেয় ৷ তত্ত্ব জানি না ৷ জীবনের ঘটনা বলি পাঠকদের ৷ বিচার – বক্তব্য আপনাদের ৷

ণ-শিল্প (পর্ব – এক) Read Post »

গদ্য, ব্যক্তিগত গদ্য
Scroll to Top