ইতিহাসে রাজাবাদশার কথা
এই যে কেঁপে কেঁপে উঠছে হঠাৎ চোখের পাতা, অলুক্ষুণে
শিরীষ ডাল, সজনে ডাল, বুকের পাটা,
আজ নিশ্চয় আমি কোনো এক
দুর্ঘটনার সাক্ষী হব। বিশ্বাস কর, আমিও জানি না
কীভাবে এই পথ ঘোরালো হয়েছে, কীভাবে
ঘূর্ণি সেবার ঘুরপাক খাওয়া স্রোতের মতন
পাথরে কখনো আছড়ানো, কখনো কোঁকড়ানো—
এই নিরন্তর আলোড়ন যদি শেষ আশ্রয় হয়
যদি গভীর বিশ্বাস গড়ে তোলে গভীর অবিশ্বাস
তবে এই রুদ্র বসন্তে তুই বকুলফুল হোস
আর আমি মেঘ, কালবৈশাখী
এইসব বলতে বলতে কারা যেন হেঁটে চলে গেল
রোম সাম্রাজ্যের পতনের দিকে।
কুরূপা
প্রথমে সে জোড়া লাগায় কুরূপা শব্দগুলো, রঙিন
জুতো পরায়, রঙিন ফ্রক, তারপর আমি যখন
দেখছি না, অমনোযোগী অথবা অন্য সব
শহরের সম্পর্কে, আনাগোনা আমদানি
নিয়ে ব্যস্ত, খুলে ফেলে টেবিলময় ছড়িয়ে দেয়
যেন নির্বোধ, চেতনাহীন, যেন অগোছালো ভাষায়
‘আসুন আসুন অমিতদা’, কী করে এই উচ্চপদ
প্রেমিককে সে জানাবে, সে কবিতা লেখে অনেক ভালো,
অঙ্কও কষতে পারে নেচে নেচে, তাকে চারধারে
খুঁটিতে বেঁধে।




খুবই ভাল। ডিজিটাল প্রিন্টগুলি পড়ার পক্ষে খুব আরামদায়ক। ছিমছাম গঠন পাতাগুলোর। ভাল লাগছে। কবিতাগুলি তো কথাই হবে না, খুব সুন্দর।
শংকর চক্রবর্তী
উত্তরপাড়া।